আজ ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

দাগনভূঞায় লকডাউন: দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা!

দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি:

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধের চেষ্টায় একগুচ্ছ বিধিনিষেধের বেড়াজালে সারা দেশে শুরু হয়েছে সাত দিনের ‘লকডাউন’।

সোমবার লকডাউনের প্রথম দিন দাগনভূঞায় বিধিনিষেধ মানার ক্ষেত্রে দেখা গেছে ‘ঢিলেঢালা’ভাব। আজ দ্বিতীয় দিনেও সেই চিত্র অব্যাহত। আর তা মানাতেও খুব বেশি কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে না প্রশাসনিক ভাবে।

ভোর ৬টায় লকডাউনের শুরু থেকে বাস চলছে না। তবে প্রাইভেট কার, অটোরিকশা ও রিকশা চলছে রাস্তায়। সীমিত পরিসরে সরকারি অফিস-আদালতের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। অধিকাংশ শপিং মল বন্ধ রাখার ঘোষণা থাকলেও প্রশাসনের অজান্তে চলছে সেগুলোও। তবে লকডাউন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উম্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করার কথা ছিল। তবে সোমবার এবং আজ মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন এলাকার চিত্র দেখা গেল আগের মতই। লকডাউনের দ্বিতীয় দিনও রড-সিমেন্ট ও টাইলসের দোকানও খোলা দেখা গেছে।

দাগনভূঞায় প্রথম দিন থেকে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব বন্ধ থাকলেও কঠোরভাবে লকডাউন মেনে চলাতে মাঠে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। সড়কে বাস না চললেও রিকশা অটোরিকশা ও সিএনজি চলছে। তবে এইসব পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীদের উঠতে ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে নির্দেশনা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। কোথাও যানবাহনে দুই-তিনজনের অধিক দেখলে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা আক্তার তানিয়া বলেন, রোববার রাত থেকেই মার্কেট ও গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহিরে যেন বের না হয়। তবে তৃতীয় দিন থেকে আরও কড়াকড়ি করা হবে বলে জানান তিনি।।

এদিকে ঈদকে সামনে রেখে মার্কেটের দোকান মালিকরা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তারা জানান, ঈদ উপলক্ষে আমরা দোকানে মালামাল ভরপুর করি। একটা ঈদের আশায় আমরা সারাবছর বসে থাকি৷ ঋণ, দার নিয়ে আমরা ব্যবসায়ে নতুন নতুন কালেকশন করি। কিন্তু লকডাউনে আমাদের সেই আশা শেষ হতে যাচ্ছে। উনারা দাবি জানান, স্বল্প করে হলেও আমাদের যেন দোকান খোলার অনুমতি দেয়৷

Comments are closed.

     এই বিভাগের আরো সংবাদ