আজ ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিম।

রফিকুল ইসলাম :

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সাবেক ছাত্রনেতা ও চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম হক। ২০০২ সাল থেকে সাধারন সম্পাদক ছিলেন মোঃ সেলিম হক । এবার সম্মেলন হলেও কমিটি এখনো ঘোষিত হয়নি বলে জানা গেছে।

সেলিম, চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আনসার বাহিনীর কুষ্টিয়া জেলার প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার মরহুম আজমল হক (মাঙ্গন মিয়া) এর সুযোগ্য সন্তান বলে জানা গেছে।

চাপড়া ইউনিয়নের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোচনায় মোঃ সেলিম হক এর নাম । গত নির্বাচনে তাকে নৌকা প্রতীক দেওয়া না হলে তিনি দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। বরং নৌকা প্রতীকের উপর সম্মান জানিয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছেন ।

এখন চাপড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কর্মীদের আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। এরপর থেকে একের পর এক চলছে গুঞ্জন। তিনি বিভিন্ন সময়  চাপড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন ।

চাপড়া ইউনিয়নের সাধারন জনগন বলেন, মোঃ সেলিম হক একজন সাংগঠনিক মানুষ। তার জন্য আমরা কাজ করব। তিনি নির্বাচিত হলে খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের পাশে থাকবেন এবং এলাকার আরও উন্নয়ন হবে বলে আমরা মনে করি।

মোঃ সেলিম হক বলেন, আমি ১৯৮৫ সালে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম। অতঃপর চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম। ২০০২ সাল থেকে চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছি। এবার সম্মেলন হলেও কমিটি এখনো ঘোষিত হয়নি। তবে পূর্বের কমিটিই বহাল থাকবে বলে নেতারা আশ্বস্থ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমি ছেউড়িয়া বিশ্বাস পাড়াস্থ বায়তুস শুকুর জামে মসজিদ এর সভাপতি ও ছেউড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। তাছাড়াও আমি ছেউড়িয়াস্থ লালন লোকসাহিত্য সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সাবেক সভাপতি ও লাহিনী পাড়াস্থ মীর মোশাররফ হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমার আপন দুই সহোদর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। একভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মাহবুবুল হক ও অন্যভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আশরাফুল হক।

তিনি আরও বলেন, ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাব এই প্রত্যাশায় আমি ইউনিয়ন বাসীর কাছে  দোয়া ও সমর্থন চাই ।

Comments are closed.

     এই বিভাগের আরো সংবাদ