আজ ১৯শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩রা জুলাই, ২০২০ ইং

চাকরিতে জয়েন করা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করা হলে তখন তো বিয়েসাদি হবে, ঘর-সংসার হবে, আপনার সংসারে বউ থাকবে, ছেলে-মেয়ে হবে। তখন এতোকিছু সামলাবেন কিভাবে? কাজ করার একটা সময় থাকে একটা এনার্জি থাকে।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রী। এসময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন কিন্তু জন্ম নিবন্ধন হয় তাই বয়স লুকানো যায় না। ২৩ বছরের মধ্যে মাস্টার ডিগ্রী কমপ্লিট হয়। তারপর যদি ২-১ বছর দেরিও হয় তাহলে ২৪-২৫ বছর বয়স হয়। তিনি বলেন, ১৬ বছরে এসএসসি পরীক্ষা দিলে ১৮ বছরে দেয়া হয় ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পরীক্ষা। এরপর ৪ বছরের অনার্স শেষে এক বছরের মাস্টার্স করে ২৩ বছর বয়সেই সরকারী চাকরিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী ৩৫ তম বিসিএস’র তথ্য তুলে ধরে বলেন, ২৩ থেকে ২৫ বছর যাদের বয়স তাদের বিসিএস’র পাশের হার ৪০.৭ ভাগ। ২৫ থেকে ২৭ বছর ২৩.২৯ ভাগ। ২৭ থেকে ২৯ এর ১৩.১ ভাগ। ২৯ বছরের উপরে ৩.৪-৫ ভাগ।

তিনি বলেন, যদি কোন সমস্যা হয় পড়াশোনা শেষ হতে সর্বোচ্চ ২৫ বছর লাগতে পারে। তার পরেওতো অনেক বছরের সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তারা আন্দোলন করেই যাবে। তো ভালো কথা করুক আন্দোলন। আন্দোলন করলে রাজনীতিটা শিখবে ভালো করে।

রোহিঙ্গা সংকট: আবারো মিয়ানমারে মন্ত্রী পাঠাবে চীন….
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবারো মিয়ানমারে যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সদ্য সমাপ্ত চীন সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির সরকারকে সম্মত করতে চেষ্টা করবেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন।

রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে চীনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুইবার মিয়ানমারে পাঠিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনে তারা আবারও মন্ত্রীকে মিয়ানমারে পাঠাবে।

তিনি বলেন, আমি উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করি। রোহিঙ্গা সঙ্কটের কারণে এই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হাতে পারে বলে আমি উল্লেখ করি।

উল্লেখ্য, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে গত ১ জুলাই বেইজিং যান প্রধানমন্ত্রী। সফর শেষে গত শনিবার (৬ জুলাই) তিনি দেশে ফেরেন। চীন সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Leave a Reply

     এই বিভাগের আরো সংবাদ