আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

গোমস্তাপুরে বেসামাল পেঁয়াজের বাজার।

উওম কুমার গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুরে বেসামাল পেঁয়াজের বাজার এতে
নিম্ন বিত্ত থেকে সুরু করে মধ্যবিত্ত সকল শ্রেণির মানুষ বাড়তি দামে পেঁয়াজ কিনতে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন।

আর এতেই নড়বড়ে হয়ে পড়েছে গোমস্তাপুরের পেঁয়াজের বাজার।

প্রভাব পড়েছে গোমস্তাপুরেও, এক ঘোষণাতেই রাতারাতি বেড়ে গেছে পণ্যটির দাম, গোমস্তপুরে কোন কোন ব্যবসায়ী বলছেন, পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ বলেই দাম বেড়ে গেছে।

আবার কোন কোন ব্যবসায়ী বলছেন, পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

বাজারে পেঁয়াজের কোন ঘাটতি নেই, সামনের মাসেই আবার নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে তারপরেও বাড়তি টাকার আশার পেঁয়াজের স্বাভাবিক সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী।

আর সাধারণ মানুুষ বলছেন, পেঁয়াজের দাম আবারও বেড়ে গেলে বিপাকে পড়বেন তারা।

নিম্ন বিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে আবারও সমস্যায় পড়বেন।

বুধবার রহনপর বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক দুই দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা থেকে ৩০করে বেড়েছে।

সোমবার দেশী পেঁয়াজের দাম ছিলো কেজি প্রতি ৪০ টাকা, তবে সেই দাম বেড়ে হয়েছে ৭০থেকে ৮০ টাকা।

ভারতীয় পেঁয়াজের দামও বেড়েছে কেজি প্রতি ১৮ টাকা করে সোমবার দাম ছিল কেজি প্রতি ৩০ টাকা করে।

তবে এখন সেই দামে কিনতে পারছেন না ক্রেতারা, ভারতের পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে কেজি প্রতি ৬০ টাকা।

তবে বাজারে অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই পেঁয়াজ দেখা যায়নি।

এ নিয়ে বিক্রেতাদের দাবি, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হবে।

এদিকে বাড়তি এই দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ক্রেতারা।

আবারও যদি এ রকম পরিস্থিতি হয় তাহলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

তিনি শুরুতেই প্রশাসনের ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

যারাই পেঁয়াজ কিনতে আসছেন তারাই ৫ থেকে ১০ কেজি করে কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

এখানে সাধারণত কানসাট থেকে পেঁয়াজ কিনে আনা হয়।

উওম কুমার গোমস্তাপুর চাঁপাইনবাবঞ্জ প্রতিনিধি

১৬/৯/২০

Comments are closed.

     এই বিভাগের আরো সংবাদ